এআরও শহীদুল ইসলাম একজন সত ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা

স্টাফ রিপোর্টার:

সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কার্যক্রমকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে ডি-১ ওএমএস এলাকার এআরও (এলাকা রেশনিং কর্মকর্তা) শহীদুল ইসলাম নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

খাদ্য অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত ওএমএস কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো স্বল্প আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর কাছে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যশস্য পৌঁছে দেওয়া। এ দায়িত্ব বাস্তবায়নে এআরও শহীদুল ইসলাম নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি, ডিলারদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এআরও শহীদুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ডি-১ ওএমএস এলাকায় বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। চাল ও আটা বিতরণে ওজনে কম দেওয়া, কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা পণ্য গোপনে সরিয়ে নেওয়ার মতো অভিযোগ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তার কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত পরিদর্শনের ফলে ডিলাররা নিয়ম মেনে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ওএমএস সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য পেতে আগের মতো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। নির্ধারিত দামে খাদ্যশস্য পাওয়া যাচ্ছে এবং বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হচ্ছে। অনেকেই এ সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য সরাসরি এআরও শহীদুল ইসলামের তদারকিকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন।

খাদ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, সীমিত জনবল ও নানা বাস্তব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এআরও শহীদুল ইসলাম অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালীদের অনৈতিক সুপারিশকে প্রশ্রয় না দিয়ে তিনি সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা মেনেই দায়িত্ব পালন করছেন। এতে সরকারের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির প্রতি মানুষের আস্থা আরও বেড়েছে।

বিশেষ করে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে ওএমএস কার্যক্রম সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকটময় সময়ে এআরও শহীদুল ইসলামের সক্রিয় উপস্থিতি ও কার্যকর তদারকি ডি-১ ওএমএস এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।

এ বিষয়ে এআরও শহীদুল ইসলাম বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা নিশ্চিত করা। প্রকৃত উপকারভোগীরা যেন কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

সচেতন মহলের মতে, এআরও শহীদুল ইসলামের মতো সৎ, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব কর্মকর্তারা থাকলে ওএমএসসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো আরও সফল ও কার্যকর হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *