নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর ডি-৫ এলাকায় ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে পরিচালিত ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভোক্তা ও উপস্থিত সাধারণ মানুষের দাবি, নির্ধারিত নিয়ম না মেনে এক ব্যক্তিকে অতিরিক্ত পরিমাণ খাদ্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে এবং এর বিনিময়ে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি নিয়মে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যপণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এক ব্যক্তিকেই ১০ কেজি চাল ও ৫ প্যাকেট আটা দেওয়া হচ্ছে। এতে অন্য ক্রেতারা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ডিলার মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে আগেও অনিয়মের অভিযোগ ছিল। এর আগে তিনি মালামাল বিক্রি না করে সটকে পড়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল। এবার আবারও তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং পণ্য বিতরণে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, লাইনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও তারা পণ্য পাননি। অথচ কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত পরিমাণে পণ্য দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং সরকারের এই সহায়তা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা দাবি করেছেন, ওএমএস কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিলারের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের দেওয়া স্বল্পমূল্যের খাদ্য সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য কার্যক্রমের যথাযথ তদারকি ও নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।