নির্বাচন কমিশনের উপসচিব হেলাল উদ্দিন খান: দক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি

মোঃআনজার শাহ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামোকে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছেন উপসচিব হেলাল উদ্দিন খান। দীর্ঘদিনের সরকারি অভিজ্ঞতা, পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি নির্বাচন কমিশনের একজন আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
হেলাল উদ্দিন খান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নির্বাচন কমিশনের দাপ্তরিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রস্তুতি, বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার দক্ষতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন চাপপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তিনি ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সহকর্মীদের কাছে তিনি একজন সহযোগিতাপরায়ণ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। কাজের ক্ষেত্রে তিনি দলগত সমন্বয়কে গুরুত্ব দেন এবং জুনিয়র কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করেন পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে। তার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরগুলোতে কাজের পরিবেশ আরও সুসংগঠিত ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা ও আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়নে হেলাল উদ্দিন খান আপসহীন ভূমিকা পালন করছেন। কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করে তিনি দায়িত্ব পালনে সততা ও নিরপেক্ষতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। এ কারণেই রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের বিভিন্ন মহলে তিনি একজন বিশ্বাসযোগ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সম্মানিত।
ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার, তথ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং দাপ্তরিক সেবার মান বাড়াতে তার উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতেও এসব উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, উপসচিব হেলাল উদ্দিন খান তার মেধা, অভিজ্ঞতা ও সততার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে তার কাজ ভবিষ্যতেও দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *