মোঃ লুৎফর রহমান খান:
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে এ আসনে মোট ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন। নির্বাচন সংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রার্থীকে ২০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়। কোনো প্রার্থী তার নির্বাচনী আসনে প্রদত্ত বৈধ ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং অফিসারের তথ্য অনুযায়ী এখানে ১১৩টি কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩,১১,৬৯৯ জন। তাদের মধ্যে ১,৬৮,০৭৯ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। ভোট প্রদানের হার ৫৩.৯২ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১,৬৫,১৬২টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ২,৯১৭টি।
এ আসনে ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন খান ৮১,০৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মাহমুদুন্নবী পেয়েছেন ৫৪,৫৩৩ ভোট ও বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ২৮,৮২৩ ভোট।
বাকি ৩ জন প্রার্থী কাঙ্ক্ষিত ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত হারাচ্ছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মোঃ সালাউদ্দিন পেয়েছেন ১৩৭ ভোট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনোনীত হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস পেয়েছেন ২৩৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মোঃ কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট।
এই ৩ জন প্রার্থীর কেউই তার নির্বাচনী আসনের বৈধ ১,৬৫,১৬২টি ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট অর্থাৎ ২০,৬৪৫টি ভোট পাননি।