মোহাম্মদ সোহেল:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন,
“৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতির অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল প্রেরণা—যার মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছিলেন।”
শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে হাটহাজারীর বড় দিঘির পাড়ে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
“এক বছরের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন”
ব্যারিস্টার হেলাল বলেন,
“দীর্ঘদিন ধরে হাটহাজারীর জনগণের উপর জোটের নামে গণবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন হাটহাজারী-বায়েজিদের মানুষ মুক্তভাবে বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন,
“বিএনপি আগামী দিনে সরকার গঠন করলে এক বছরের মধ্যেই হাটহাজারী-বায়েজিদের উন্নয়ন দৃশ্যমান হবে। একটিও কাঁচা রাস্তা থাকবে না। অক্সিজেন থেকে নাজিরহাট পর্যন্ত বাইপাস ও ওভারপাস নির্মাণ করে যানজটমুক্ত সড়ক করা হবে। নতুন শিল্প কারখানা, ভোকেশনাল ও স্বাস্থ্য মহাবিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। একজন শিক্ষিত বেকারও থাকবে না।”
তিনি আহ্বান জানান,
“ধানের শীষে ভোট দিন—আমি হাটহাজারী-বায়েজিদকে একটি আধুনিক, উন্নত ও কর্মসংস্থানে ভরপুর এলাকায় রূপান্তর করব।”
নেতাকর্মীদের ঢল
সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়েজিদ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল চৌধুরী।
প্রধান বক্তা ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ নূর মোহাম্মদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ জাকের হোসেন, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল হারুন।
সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব গিয়াস উদ্দিন (চেয়ারম্যান) ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অহিদুল আলম।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—
মোহাম্মদ সেলিম চেয়ারম্যান, নেসার উদ্দিন বুলু, রফিকুল আলম, ফয়েজ আহমদ, ইয়াকুব চৌধুরী, আবদুস শুক্কুর মেম্বার, আকবর আলী, শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, মনিরুল আলম জনি, কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল, তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি, নাসির উদ্দিন, লায়লা বেগম, নাসরিন আক্তার, পারভীন চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, ফখরুল হাসান, নুরুল কবির প্রমুখ।
জাসাসের গণমিছিল যোগ দেয় সমাবেশে
সভা শেষে ব্যারিস্টার মীর হেলালের নেতৃত্বে বিশাল র্যালি বের হয়, যা বড় দিঘির পাড় থেকে শুরু হয়ে আমানবাজার, বড়দিঘি মোড় হয়ে চৌধুরীহাট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
একইসঙ্গে চৌধুরীহাট থেকে শুরু হওয়া জাসাসের বিশাল গণমিছিল যোগ দেয় সমাবেশে।
পরে ব্যারিস্টার মীর হেলালের নেতৃত্বে শত শত নেতাকর্মীসহ র্যালিটি ফতেয়াবাদ পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়।
জাসাস নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা জাসাস সভাপতি আবু বকর সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জমির সিকদার, উত্তর জেলা জাসাস সহ-সভাপতি সোভরাজ চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদুল আলম, উপজেলা জাসাস সহ-সভাপতি লোকমান মাস্টার, হাসান চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন, সোমা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল নিজাম, পলাশ, সরওয়ার, সহ সাধারণ সম্পাদক ফারুক, মামুন, আব্দুল হালিম, সোলায়মান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম, মো. জাফর, গণমাধ্যম সম্পাদক সোহেল, সহ গণমাধ্যম সম্পাদক মঞ্জু, সংগীত সম্পাদক তপন কান্তি মাস্টার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মাস্টার, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মনির হাসান আজাদ, সহ তথ্য সম্পাদক বয়ান উদ্দিন, আইন সম্পাদক ইমাম হোসেন, শিক্ষা-সাহিত্য সম্পাদক শফিউল আলম মাস্টার, সহ ধর্ম সম্পাদক বাবুল, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সহ সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাহেদ, মানবাধিকার সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক ইব্রাহিম, সহ পরিবেশ সম্পাদক মনির, আপ্যায়ন সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক, সহ ক্রীড়া সম্পাদক আবু তাহের, রকি, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক হাসিনা বেগম, সহ সম্পাদক রুমি আক্তার জাহেদ, সদস্য জসিম, বাবর, রুবেল, তৌহিদ, রাকিব, বাবু, বশর প্রমুখ।
সমাবেশ ও র্যালিতে হাজারো নেতা-কর্মীর ঢল নামে।
বক্তারা বলেন,
“৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। শহীদ জিয়ার আদর্শে জনগণ ঐক্যবদ্ধ।”