সোহেল মাহমুদ, ব্যুরো চীফ (চট্টগ্রাম):
সাংবাদিক আরিয়ান লেলিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।
ঋণখেলাপি ও মামলাবাজির অভিযোগে অভিযুক্ত এস এ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহাবুদ্দিন আলম গং কর্তৃক সাংবাদিক আরিয়ান লেলিনকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে গত ৬ এপ্রিল সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ ও নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন জার্নালিস্ট ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নূর মোহাম্মদ রানা, জাতীয় নাগরিক অধিকার ও নির্বাচন বিশ্লেষক সি ভিশনের সম্পাদক এস এম আকাশ, দৈনিক এখনই সময়ের বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান কামরুজ্জামান রনি, সাংবাদিক আবু হেনা খোকন, বিএমইউজে’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ আরেফিন, সিআরএর সাংগঠনিক সম্পাদক অন্তর মাহমুদ রুবেল, মানবাধিকার নেতা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক নেতা শিব্বির আহমেদ, সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজান সমরকন্দী, রেখা আলম, শহীদুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, ক্যামেরা জার্নালিস্ট শওকত, সাংবাদিক রাজীব, ওসমানী, আরাফাত কাদের, রাকিব উদ্দিন, রেজাউল করিম বাবলু, সিএইচডি নিউজের আব্দুল আওয়াল মুন্না, বাবলু বড়ুয়া, আনিসুর রহমান, চ্যানেল এস প্রতিনিধি রুমেন চৌধুরী, মোঃ জামশেদ ইসলাম, সানি দাশসহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আরিয়ান লেলিন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করায় ঋণখেলাপি ও মামলাবাজির অভিযোগে অভিযুক্ত এস এ গ্রুপের স্বার্থান্বেষী চক্র পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের মাধ্যমে হেনস্থা করছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
বক্তারা আরও বলেন, এস এ গ্রুপের এমডি শাহাবুদ্দিন আলম গং-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক লুট, ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হলেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং উল্টো সাংবাদিকরা নিউজ করলেই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে মিথ্যা মামলা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বিএমইউজে’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ আরেফিন বলেন, এখন অপরাধীদের টার্গেটই যেন সাংবাদিকদের নির্যাতন, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং সাংবাদিক হত্যা; এবং এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো—মাদক, চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং অপরাধ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ।
অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বা প্রকাশিত সংবাদের কারণে এসব হামলার শিকার হচ্ছেন।
সাংবাদিক নেতারা অবিলম্বে সাংবাদিক আরিয়ান লেলিনের বিরুদ্ধে করা এস এ গ্রুপের দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার নিঃশর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান; অন্যথায় আরও কঠিন আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।