আমি যখন যেখানে যাব, মনে করবেন একডালা উন্নয়ন নিয়েই যাব”: প্রতিমন্ত্রী

শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি:

শপথ গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় ফিরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, “এলাকার উন্নয়নের জন্য আমাকে বলতে হবে না। আমি যখন যেখানে যাব, মনে করবেন একডালা উন্নয়ন নিয়েই সেখানে যাব। আজকে যখন মোকামতলায় এসেছি, তখন অনেক কিছু নিয়েই এসেছি। খালি হাতে আসিনি। যেমন—একটি মহাবিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলাম, ডাকবাংলোর জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছি, একটি রাস্তার জন্য ২০ লাখ টাকা দিয়েছি। এরপর শিবগঞ্জে কোথায় কী সমস্যা আছে, সেটিও আমি দেখব।”

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা মীর শাহে আলম-ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর শাহে আলম বলেন, “যারা মামলা খেয়েছেন, জেল খেটেছেন, দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন এবং বিগত নির্বাচনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন—এবং সারা বাংলাদেশে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মধ্য দিয়ে যে দলটিকে আপনারা ক্ষমতায় এনেছেন—সেই দলের প্রধান, মহান আল্লাহর ইচ্ছায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৪০ বছর পর শিবগঞ্জবাসীকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমাকে উপহার দিয়েছেন। এই সম্মানের ভাগীদার শিবগঞ্জবাসী সবাই। আজ থেকে শিবগঞ্জের প্রত্যেক মানুষই মন্ত্রী। তবে এই বলে কেউ যেন মারপিট না করেন। নিয়মের মধ্যে থাকবেন, শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবেন।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমার আশেপাশে কিছু টাউট-বাটপার ঘোরাফেরা করছে। তারা আপনাদের কাছে গিয়ে বলতে পারে—ফ্যামিলি কার্ড করে দেব ৫০০ টাকা দিন, কৃষক কার্ড করে দেব টাকা দিন। আপনারা কাউকে কোনো প্রকার টাকা দেবেন না। একদম বিনা টাকায়, ফ্রিতে শিবগঞ্জের প্রত্যেক মানুষ সরকারি সব সেবা পাবেন। সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা পৌঁছে দেবেন।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমান, মোকামতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম মোহাম্মদ মামুন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রোকন-উদ-দৌলা রুবেল, বিএনপি নেতা রুহুল আমিন ফটু, আব্দুস সালাম, সাজু মিয়া, মিজানুর রহমান মিন্টু প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *