সুলতান মাহমুদ:
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গোলাম মসীহ বলেছেন, ইসলামী অনুশাসন কার্যকর হলে সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও অশান্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দূর হবে। তিনি বলেন, “একজন মাদকসেবী বা ধূমপায়ী যখন ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করে, তখন সে ইচ্ছে করলেও সিগারেট ধরাতে পারে না। মসজিদের শান্তিময় পরিবেশ তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। ঠিক তেমনি সমাজব্যবস্থায় ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীরাও ধীরে ধীরে ভালো মানুষে পরিণত হবে।”
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৩ নম্বর ওয়ার্ডে হাতপাখা প্রতীকের গণসংযোগকালে গোলাম মসীহ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যুব সমাজকে মাদকের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষা করা দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “তরুণ ও যুবকরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের নৈতিক ও আদর্শিক দীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সঠিকভাবে গড়ে তোলা গেলে তারা দেশের সার্বিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে,”—বলেন তিনি।
গণসংযোগে গোলাম মসীহ আরও বলেন, “মাদক ও সন্ত্রাসের বর্ধিত প্রবণতা দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ইসলামী নৈতিক শিক্ষা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে আমরা যুব সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারব। সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।”
তিনি এই বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, ইসলামী অনুশাসন কেবল ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে অপরাধপ্রবণতা হ্রাস পাবে, মানুষ নৈতিক ও সৎ জীবনযাপনে উৎসাহিত হবে, এবং দেশের যুবশক্তি দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নগর শাখার সেক্রেটারি মুহাম্মদ সুলতান মাহমুদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা উত্তর শাখার সভাপতি বিল্লাল তালুকদার, সেক্রেটারি সাইয়্যিদ রিদওয়ান, দক্ষিণ শাখার সভাপতি সোহেল প্রধান, রহমত উল্লাহ লড়াকু, যুব নেতা আব্দুল মোমিনসহ ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা সকলে মিলে এলাকাবাসীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন এবং নির্বাচনী প্রচারণায় যুব সমাজের সমর্থন আহ্বান করেন।
গোলাম মসীহ গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচিত হলে তিনি যুব ও জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক সমস্যা, বিশেষ করে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলের জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণ ও যুব সমাজকে নৈতিক ও আদর্শিক দীক্ষা দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।