আব্দুল গফুর:
কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপর ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান শুক্রবার ও শনিবার দুইদিন ধরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এই ঘোষণা দেন।
শনিবার কক্সবাজার ৩ ও ৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। কক্সবাজার ৩ (কক্সবাজার সদর, রামু-ঈদগাঁও) আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৬ প্রার্থীর মধ্যে ভোটার স্বাক্ষর সংক্রান্ত ভুলের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অন্য ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল, জামায়াতের শহীদুল আলম বাহাদুর, ইসলামী আন্দোলনের আমিরুল ইসলাম, লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার।
কক্সবাজার ৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৫ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরা হলেন বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী, জামায়াতের নুর আহমদ আনোয়ারী, ইসলামী আন্দোলনের নুরুল হক, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এর সাইফুদ্দিন খালেদ এবং লেবারেল ডেমোক্রিটিক পার্টির আব্দুল্লাহ আল আরাফাত।
শুক্রবার কক্সবাজার ১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৫ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের আব্দুল্লাহ আল ফারুখ এবং গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের। বাতিল প্রার্থীরা ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম।
কক্সবাজার ২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৭ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলনের জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিশের ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) এর এস এম রোকনুজ্জামান খান এবং জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল করিম। বাতিল প্রার্থীরা হলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলা।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির সময় ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও চতুর্থ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।