আব্দুল গফুর
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে কক্সবাজার জেলা’ সাংবাদিক মহলে। অভিযোগ উঠেছে, প্রশিক্ষণ নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা না রেখে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নির্ধারণ করা হয়েছে।
একাধিক সাংবাদিক অভিযোগ করে জানান, নিয়মিত ও মাঠপর্যায়ের কর্মরত সাংবাদিকদের উপেক্ষা করে বারবার একই মুখ কিংবা সংশ্লিষ্টদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে পিআইবির মূল উদ্দেশ্য জেলা সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন পিআইবি রাষ্ট্রীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রশিক্ষণ পাওয়ার কথা ছিল মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভন্ন তালিকা আগেই নির্ধারিত থাকা। আবেদন প্রক্রিয়া ছাড়াই কেবল প্রথমদিনের সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হয়। প্রবীণ আরেকজন সাংবাদিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন একই ব্যক্তিরা বারবার প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন অথচ জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের প্রকৃত কর্মরত সাংবাদিকরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি শুধু বৈষম্যই নয়, পেশাগত নৈতিকতার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।”
সাংবাদিক মহলের একাংশ মনে করছে, এ ধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা চলতে থাকলে পিআইবির প্রতি আস্থা কমবে এবং ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। তারা প্রশিক্ষণ নির্বাচনে স্পষ্ট নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন ও নির্বাচনের তালিকা উন্মুক্ত করা এবং তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পিআইবির দায়িত্বশীলদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকরা বলছেন, দ্রুত এই অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পিআইবির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের সাংবাদিকতা উন্নয়নের লক্ষ্যও বাধাগ্রস্ত হবে মনে করছেন তারা