কক্সবাজারে ভোলা বাবুর পেট্রোল পাম্পে ‘সিএনজি পার্কিং’ নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে চালকরা

স্টাফ রিপোর্টার:

কক্সবাজার শহরের ভোলা বাবুর পেট্রোল পাম্প এলাকায় ‘সিএনজি পার্কিং’ নামে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, পৌরসভা ও পার্কিং সমিতির নাম ব্যবহার করে প্রতিটি সিএনজি থেকে দৈনিক ৪০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

চালকদের অভিযোগ, এই টাকা আদায়ের জন্য প্রতিদিন একটি রশিদ দেওয়া হয়, যা তারা “অবৈধ চাঁদা রশিদ” বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, পৌরসভা বা প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া বহিরাগত লোকজন বা একটি গোষ্ঠী নিজেদের নিয়ন্ত্রণে পার্কিংয়ের নামে এভাবে অর্থ আদায় চালিয়ে যাচ্ছে।

“পৌরসভার নামে যে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেই অর্থ কি আদৌ সরকারি কোনো হিসাব-নিকাশে জমা হচ্ছে?” — এই প্রশ্নের উত্তর কেউ স্পষ্টভাবে দিতে পারছেন না। ফলে সাধারণ চালকদের মধ্যে সন্দেহ ও ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

ফলে পরিবহন শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন ৪০ টাকা করে এই অবৈধ ফি দিতে বাধ্য হওয়ায় তাদের আয় কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ঘটনাও বেড়েছে, যা ভোক্তা পর্যায়ে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয় চালকরা জানান,
“আমরা পার্কিংয়ের নামে টাকা দিচ্ছি, কিন্তু আসলে কোনো নিয়মকানুন নেই। কারা টাকা নিচ্ছে, তার হিসাবও পরিষ্কার নয়। পৌরসভার নাম ব্যবহার করে টাকা নিলেও সেখানে টাকা জমা হয় কি না, কেউ বলতে পারে না।”

এদিকে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

চালকদের দাবি:

  • অবৈধভাবে টাকা আদায় বন্ধ করতে হবে

  • প্রকৃত পার্কিং ব্যবস্থা থাকলে তার সরকারি অনুমোদন প্রকাশ করতে হবে

  • পৌরসভার নামে যে টাকা নেওয়া হয়, তার হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে

স্থানীয় সামাজিক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের চাঁদাবাজি আরও বাড়বে এবং শহরের পরিবহন ব্যবস্থা আরও বিশৃঙ্খলার দিকে যাবে।

“অবৈধ পার্কিং ফি আদায় বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *