করিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি আহ্বায়ক  আসাদুজ্জামান কাজলকে  চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

সফিকুল ইসলাম রিপনঃ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নরসিংদী  সদর  উপজেলার করিমপুর   ইউনিয়নের  সৎ, মেহনতী মানুষের বন্ধু, সুশিক্ষিত  জনবান্ধব নেতা, দুঃসময়ের কান্ডারী, ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক  সাদা মনের মানুষ  আসাদুজ্জামান কাজলকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী, এরই মধ্যে পাড়া মহল্লা এমনকি চায়ের দোকানেও বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
আসাদুজ্জামান কাজল ১৯৮৯ সালে ছাএদলের হাত ধরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের রাজনিতিতে প্রবেশ, পরের বছর ১৯৯০ সাল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন, ১৯৯২ সালে চরকুমিল্লা ঐক্য জোটের উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়,১৯৯৪ সালে  ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হন, ১৯৯৮ সালে ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় এর পর ২০০৩ সালে করিমপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে মোমবাতি মার্কায় নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন, এর পরের বছর  ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করে । তিনি তার এলাকার  মাদক নির্মূল করার জন্য লড়াই করে গড়তে চান মাদক মুক্ত সমাজ। ন্যায়কে প্রতিষ্টা করার লক্ষে ও অন্যায়কে প্রতিহত করার  জন্য সর্বদা সচেস্ট থাকেন।  এলাকার  সকল সামাজিক কর্মকান্ডে  সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন। এই ইউনিয়নের সর্ব স্তরের মানুষের সাথে রয়েছে তার গভীর সু  সম্পর্ক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আসাদুজ্জামান কাজল  রাজনৈতিক জিবনে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন সক্রিয়, শহীদ জিয়ার  আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে শুরু করেন রাজনৈনিক বর্ণাঢ্য জিবন,  ভালোবাসেন করিমপুর  ইউনিয়ন এর মানুষ কে। এই  ইউনিয়নের  বিভিন্ন এলাকা ঘুরে লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়,  আসন্ন  নির্বাচনে আসাদুজ্জামান কাজলকে  মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত  হয়ে ডিজিটাল ইউনিয়ন বির্নিমানে  অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে। আমরা বিপদে যাকে কাছে পাই সে হলো আসাদুজ্জামান কাজল ভাই চেয়ারম্যান হিসেবে আমরা তাকেই চাই , তিনি  চেয়ারম্যান না হলেও  জনবান্ধব নেতা, তার কোন বিকল্প নাই। এই ইউনিয়নের শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য  সদর এমপি খায়রুল কবির খোকন ও এডভোকেট শিরিন সুলতানা’র আস্থাভাজন  আসাদুজ্জামান কাজল ভাই কে  চেয়ারম্যান হিসেবে আমরা  দেখতে চাই।
আসন্ন ইউনিয়ন  পরিষদ নির্বাচন বিষয়ে জানতে চাইলে  আসাদুজ্জামান কাজল বলেন, রাষ্ট্রনায়ক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি আমাকে মনোনয়ন দেন, আর  জনগন যদি আমাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন তাহলে শহীদ জিয়ার  আদর্শকে বুকে লালন করে ও  তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে ডিজিটাল ইউনিয়ন বির্নিমানে শিক্ষার মান উন্নয়নে, মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে, অগ্রণী ভূলিকা রাখার চেষ্টা করবো। করিমপুর ইউনিয়নকে আলোকিত করতে ও অসহায় মানুষদের খেদমতে নিজেকে উৎসর্গ করতে  আমি সদা প্রস্তুত।  আমি করিমপুর  ইউনিয়ন বাসির পাশে ছিলাম আছি এবং থাকবো। সেই সাথে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগনের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *