গৌরীপুর থানার মামলার বাদীকে মামলা তুলে নেবার হুমকি প্রতিপক্ষের

মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠান:

 

ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার ৪ নং মাওহা ইউনিয়নের ধেরুয়া কড়েহা গ্রামের সাদেকুল ইসলামের ছেলে শামীম আহমেদ(২৭) বাদী হয়ে গত ০৫/০৪/২০২৩ ইং তারিখে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই গ্রামের চন্দন মিয়ার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন(২৭) সহ ৫ জনকে আসামী করে। উক্ত অভিযোগটির তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করে ঘটনাটির সত্যতা পায় এবং থানায় প্রাপ্ত হয়। যাহার গৌরীপুর থানার মামলা নং ০৩। জি আর নং—৭১, মামলার ধারা ১৪৩/৩০১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৯৭/৩০৬/১৪৪ প্যানেল কোর্ট—১৬০ রোজ করেন। বিপি ফরম নং—২৭ বাংলাদেশ ফরম নং—৫৩৫৬।

প্রাথমিক তদন্ত বিবরণী (নিয়ন্ত্রন নং— ২৪৩) মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ০১/০৪/২০২৩ ইং তারিখ রোজ শনিবার দিন মামলার বাদীর বাবা গরু কেনার জন্য গৌরীপুর হাটে যায় সেখানে গরু কিনতে না পেরে সন্ধার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বাড়ির পাশে মসজিদে এসে এশার নামাজ ও রমজানের তারাবির নামাজ আদায়ের শেষে বাড়িতে যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মোফাজ্জলসহ তার লোকজন নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে রাস্তায় বসে থাকা অবস্থায় মামলার বাদীর বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটি লেগে একপর্যায়ে দেশী অস্ত্র নিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

আহত ব্যক্তির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কবল হতে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্মরত ডাক্তার আহত রোগীরকে চিকিৎসা করে দ্রুত সুস্থ করে তোলেন এবং অল্পের জন্য আহত সাদেকুর প্রাণে বেঁচে যায়। উক্ত মামলাটি কোর্টে চলমান থাকা অবস্থায় আসামীগণ বাদী ও তার পরিবারবর্গকে বিভিন্ন ভাবে বেকায়দায় ফেলে মামলাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ব্যাপক পায়তারা সৃষ্টি করে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ ব্যাপারে জেলার উর্ধ্বতন কর্মকতা ও জেলা পুলিশ সুপারের সাহায্য কামনা করছে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন। প্রকাশ থাকে যে, মামলার আসামী চন্দন মিয়া মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসায়ী। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যেকোন সময় আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা…চলবে….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *