মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী:
নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালামের নেতৃত্বে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হলেও মদনপুর এলাকায় চাঁদাবাজি থামানো যাচ্ছে না। নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিন পরেই এমপি পুত্র আবুল কাউসার আশা নিজ ফেসবুকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেটাসে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন।
যদিও তার নিজ এলাকায় চাঁদাবাজি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আছে, পার্শ্ববর্তী মদনপুরে এখনও দেদারসে চাঁদাবাজি চালাচ্ছে বিভিন্ন গ্যাং। পুলিশে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এস এম মমিন, শফিউল্লাহ, এস এম বিল্লাল উরফে টোকাই বিল্লাল, দিপ্ত হোসেন, আরাফাত, সুজনসহ আরও অনেক চাঁদাবাজ আটক হয়নি।
গোপন সূত্রে জানা যায়, এর আগে মোমেন ও তার সহযোগীরা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির লোক ছিলেন। তখনও তারা মদনপুর ২৭ নং ওয়ার্ডে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে তারা কিছু সময়ের জন্য সক্রিয় ছিলেন না, কিন্তু পরে কিছু নামধারী বিএনপি নেতার সঙ্গে সম্পর্ক রেখে আবার এলাকায় সক্রিয় হয়ে গেছেন।
এলাকাবাসী জানায়, যেখানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, সেখানে এসব চাঁদাবাজ বেপরোয়া আচরণ চালাচ্ছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও জানিয়েছেন, ২৭ নং ওয়ার্ডকে চাঁদাবাজমুক্ত করে ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট কালাম এবং এমপি পুত্র আবুল কাউসারের প্রচেষ্টা সফল হবে।