সফিকুল ইসলাম রিপন:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সুশিক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা আসাদুজ্জামান কাজল। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে জনমত জরিপে তিনি বর্তমানে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন।
জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান কাজল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন অবস্থান তাকে এলাকায় একজন আদর্শবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
তিনি ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। নরসিংদীর চৌয়ালা শিল্প এলাকায় তার দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ছিল। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার কারণে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে তার দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। তারপরও তিনি দল ছেড়ে যাননি। এলাকায় তার রয়েছে ক্লিন ইমেজ।
করিমপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভাষ্য, “বিপদে-আপদে যাকে সবসময় কাছে পাওয়া যায়, তিনি হলেন কাজল ভাই। তিনি চেয়ারম্যান না হয়েও যেভাবে মানুষের সেবা করেন, তাতে আমরা মনে করি ডিজিটাল ইউনিয়ন বিনির্মাণে তার কোনো বিকল্প নেই।”
অন্যদিকে, তৃণমূলের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী বর্তমান পরিস্থিতিতে হতাশ হয়ে পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত সৎ ও মেধাবী আসাদুজ্জামান কাজল তার ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন:
“বিগত সময়ে আমি সবসময় করিমপুর ইউনিয়নবাসীর পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব। আমাদের নেতা তারেক রহমান যদি আমাকে মনোনয়ন দেন এবং জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তবে আমি শহীদ জিয়ার আদর্শ লালন করে একটি আধুনিক, সুশিক্ষিত ও মাদকমুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়তে নিজেকে উৎসর্গ করব।”
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এই নেতাকে আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ। তাদের বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান কাজল নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত সেবা পাবে।