বাকেরগঞ্জ উপজেলার গরু চোর মামলা বাজ আওয়ামিলীগ নেতা মজনু হাওলাদার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার

নাবিন আহমেদ:

 

বাকেরগঞ্জ উপজেলা উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের গরু চোর মামলা বাজ আওয়ামিলীগ সহ সভাপতি মজনু হাওলাদার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার।

আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন বাকেরগঞ্জ উপজেলা উপজেলা সহ বরিশাল বিভাগের গরু চুরির মূল হোতা এই মজনু হাওলাদার । এলাকার নিরিহ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে টাকা । পালিয়ে যাওয়া হাসিনা সরকারের পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে দিয়েছেন হাজারো মিথ্যা মামলা।এই গরু চোর মজলুর কোন নির্দিষ্ট দল নেই, যখন যে দল আসে তখন সেই দলের সাথে লিয়াজু করেছে চলে। আওয়ামী লীগ পাঁচ তারিখ চলে যাওয়ার পরে সে এবং তার পরিবার বিএনপির সাথে যোগদান করার জন্য অনেক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ভাই মাসুদ আগে ছিল আওয়ামী লীগ এবং এমপি নির্বাচনে বাকেরগঞ্জ ৬ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাথে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। তার ভাই মাসুদকে। এই গরু চোর মজনু স্বতন্ত্র প্রার্থী সাথে ছিল। গরু চুরি সহ এবং বিভিন্ন মানুষকে ভয়-ভীতি দেখাইয়া টাকা আত্মসাৎ করে থাকে।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে (সালাম মির ভাইয়ের মেয়েকে অবৈধ সম্পর্ক প্রস্তাব দেওয়া। সালাম মীর, গরু চোর মজনুর মাথা ফাটিয়ে দেয়। কলসকাঠী গরু চোর মজনু পরিবার কে সবাই নারী খেকো পরিবার হিসেবে চিনে ও পরিচিত লাভ করছে। যার কারণে বাকেরগঞ্জ উপজেলা উপজেলার বেশির ভাগ নেতা কর্মী পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়ালেও একদিনের জন্যেও পালায় নি অথবা একটিও মামলাও খাইনি আওয়ামি লীগ নেতা মজনু হাওলাদার ও ছোট ভাই মাসুদ হাওলাদার। গরু চোর মজনু হাওলাদারের বিরুদ্ধে রয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা থানায় একাধিক মামলা৷ নারী কেলেঙ্কারি, অগ্রিম অর্থ আদায় করে, সেই টাকা ফেরত না দেওয়া, চাঁদাবাজি, অস্ত্র মামলা, বোমা বিস্ফোরক, ও একাধিক চুরির মামলা, কলসকাঠী বর্তমান চুরি সাথে তার হাত এবং মানুষ তাকে সন্দেহ করে।। একাধিক মামলা থাকলেও খালাস পেয়ে যেতেন এই মজনু হাওলাদার ।

হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার পরেও এলাকার মানুষ এখনো ভয়ে আছেন । এলাকার ভালো মনের মানুষ চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্নার নামেও মিথ্যা মামলা দিয়েছেন এই মজনু হাওলাদার । এরকম শত শত নিরিহ মানুষকে মিথ্যে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়েছেন এই মজনু হাওলাদার । এর মধ্যে দুলাল গাজী, সালাম মিরা, আতিক, মারুফ ।আওয়ামিলীগ নেতার অত্যাচারে এলাকার বিধবা মহিলারা থাকতেন আতঙ্কে । কারণ অবৈধ টাকার জোরে বিধবা মহিলা এবং যাদের স্বামী বিদেশে চাকরি করেন তাদের টার্গেট করতেন মজনু হাওলাদার । নাম প্রকাশ্যে অনি্চ্ছুক একাধিক মহিলারা অভিযোগ করে বলেন মজনু হাওলাদরের কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আমাদের উপর অনেক ঝড় বয়ে গেছে।

হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে গা ঢাকা দিয়েছিল মজনু হাওলাদার। অবশেষে আজ সকাল ৭ টার সময় ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয় ।
এ বিষয় বাকেরগঞ্জ উপজেলা থানার ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মজনু হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে । সূত্রে জানা গেছে মজনু হাওলাদারকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য তার ভাই মাসুদ হাওলাদার টাকা বিলাচ্ছে। পুলিশকে কিনে নিয়ে ভাইকে ছাড়িয়ে নেয়া অথবা ছোট মামলা দিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করছেন মাসুদ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *