স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির (বিএইচআরপিএস) উদ্যোগে “মানবাধিকার ও ত্রয়োদশ নির্বাচন ২০২৬” শীর্ষক আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা স্মারক—২০২৫ ইং প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে (জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীত পাশে) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল, কেন্দ্রীয় কমিটি। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জুয়েল হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, লিগ্যাল পাইলিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাদিম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, মৎস্যজীবী দল, কেন্দ্রীয় কমিটি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্ এন্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএইচআরপিএস’র ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ফিরোজ আহমেদ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার রক্ষা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুসংহত করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সামনে রেখে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা রোধে গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আহমেদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে হলে মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব রাজনৈতিক শক্তিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক হিসেবে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিএইচআরপিএস ভবিষ্যতেও সত্য, ন্যায় ও মানবাধিকারের পক্ষে নির্ভীকভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক সুমন ভূইয়া, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ বাবুল সওদাগরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক, সমাজসেবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মানবাধিকার, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।