শেখ শরীফুল ইসলাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ১৭ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকেই হুমকি দেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কৃত এই নেত্রীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার খান এর ভ্রাম্যমান আদালত রুমিন ফারহানার সমর্থক মোঃ জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন সুমন জানান, ম্যাডাম স্টেজে বক্তব্য দেওয়ার জন্য উঠলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসে ম্যাডামকে বক্তব্য দিতে নিষেধ করেন এবং ম্যাডামের হ্যান্ড মাইক ধরে রাখা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। তখন ম্যাডাম সংক্ষিপ্তভাবে বক্তব্য শেষ করে স্টেজ থেকে নেমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন: “আমার অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বিভিন্ন নামে অনুষ্ঠান করে নির্বাচনে প্রচার করছে এবং আমার নামে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের অভিযোগ জানালেও তারা আপনাদের বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখাচ্ছে, তখন তো তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি।”
তিনি আরও বলেন: “আইন সকলের জন্য সমান। কোনো বিশেষ ব্যক্তির প্ররোচনায় এ ধরনের কাজ করবেন না। যদি করেন, আমি না বললে এখান থেকে বের হতে পারবেন না।” এবং যোগ করেন, “আমি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না।”
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বিষয়ে বলেন: “ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সভা করার সংবাদ পেয়ে আমি এখানে উপস্থিত হয়ে একজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করি। এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন।”