‘আগামীর বাংলাদেশ, প্ল্যানের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় গুণীজন সম্মাননায় ভূষিত এস. এ. শ্রাবণ

মোঃ ইসলাম উদ্দিন তালুকদার :

বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ট্রাস্টের উদ্যোগে ‘আগামীর বাংলাদেশ, প্ল্যানের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্যাশার বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আব্দুল আল মামুন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ-সচিব) নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এস. এ. শ্রাবণ-কে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গুণীজন সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ বলেন,
“বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ট্রাস্ট সবসময় এমন মানুষদের সম্মান জানায়, যাঁরা নীরবে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। এস. এ. শ্রাবণ সমাজসেবায় যে নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা আগামীর মানবিক বাংলাদেশ গঠনে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”

প্রধান অতিথি নজরুল ইসলাম বলেন,
“একটি রাষ্ট্র শুধু অবকাঠামো দিয়ে শক্তিশালী হয় না—মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সচেতন নাগরিকের মাধ্যমেই একটি দেশ এগিয়ে যায়। সমাজসেবায় এস. এ. শ্রাবণের অবদান আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করে।”

উদ্বোধক আব্দুল আল মামুন তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“‘প্ল্যানের বাংলাদেশ’ গড়তে হলে রাষ্ট্রের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ ও সমাজসেবামূলক সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এস. এ. শ্রাবণ প্রমাণ করেছেন—নিজ নিজ অবস্থান থেকে সৎ ও মানবিক উদ্যোগ নিলে দেশ ও সমাজের জন্য বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।”

সম্মাননা গ্রহণ শেষে প্রতিক্রিয়ায় এস. এ. শ্রাবণ বলেন,
“এই সম্মাননা আমার জন্য শুধু একটি স্বীকৃতি নয়, বরং দেশের প্রতি আমার দায়বদ্ধতাকে আরও দৃঢ় করেছে। বাংলাদেশ আমাদের সবার। এই দেশকে ভালোবাসা মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক মূল্যবোধকে লালন করা এবং আগামীর প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। আমি বিশ্বাস করি—যদি আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করি, তবে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, মানবিক ও সম্মানজনক রাষ্ট্রে পরিণত হবে।”

তিনি আরও বলেন,
“সমাজসেবাই পারে মানুষের মধ্যে আশার আলো জ্বালাতে। আমি ভবিষ্যতেও দেশের কল্যাণে, মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ, প্ল্যানের বাংলাদেশ’ গড়তে মানবিক মানুষ ও সমাজসেবকদের ভূমিকা অপরিসীম। এ ধরনের সম্মাননা সমাজে ইতিবাচক কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়ায়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *