স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় এক কিশোরীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগে অভিযুক্ত পরিবার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও পূর্বপরিকল্পিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছে।
অভিযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে জানরা (খন্দকার বাড়ি) এলাকার মো. আমিন, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও ছেলে আরিফ হোসেনকে। অভিযোগকারী রানু আক্তার দাবি করেন, তার কন্যাকে পথরোধ করে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আমিন ও তার পরিবারের সদস্যরা স্পষ্টভাবে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
“আমরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছি। অভিযোগে যেসব ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আমাদের সম্মানহানি ও হয়রানির উদ্দেশ্যেই এই অভিযোগ সাজানো হয়েছে।”
অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, ঘটনার কথিত সময় ও স্থানে এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। তারা আরও বলেন, অভিযোগে যেসব বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং একতরফা বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,
“এই দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই ভুল বোঝাবুঝি ও পারিবারিক বিরোধ ছিল। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছিল। হঠাৎ করে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় সবাই অবাক হয়েছেন।”
অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা আইন ও প্রশাসনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখেন এবং সুষ্ঠু তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে তারা মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করার প্রবণতা বন্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এমন সংবেদনশীল ঘটনায় আইনগত তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা অনুচিত। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।