মোঃ লুৎফর রহমান খান
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ নির্বাচনে সর্বাধিক সংখ্যক রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। প্রায় ৬০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল থেকে ১২০০ জনের অধিক প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণঅভ্যুত্থানের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ও বিপক্ষে হ্যাঁ–না গণভোট। এই ভোটের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে।
অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচন ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারই প্রথম নির্বাচন কমিশনের প্রেরিত পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রবাসী নাগরিক ও নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ আগাম ভোট প্রদান করছেন।
এ নির্বাচনে সারাদেশের ন্যায় বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র ও বিভিন্ন জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলের মোট ৬ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। তারা হলেন—
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন খান (ধানের শীষ),
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোঃ মাহমুদুন্নবী (দাঁড়িপাল্লা),
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিম (হাতপাখা),
গণ অধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মোঃ সালাউদ্দিন মিয়া (ট্রাক),
বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস (হ্যারিকেন)
এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ কামরুল ইসলাম খান (ফুটবল)।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা ও তাঁদের সমর্থকেরা ভোটারদের মাঝে ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন। নির্বাচিত হলে তাঁরা কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করবেন—সে বিষয়ে ভোটারদের নানাবিধ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
অদ্য ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার বিকেলে বাকেরগঞ্জে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা প্রতীকের সমর্থনে বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে তিন প্রার্থীর সভাপতিত্বে সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত জনসভায় উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তিন প্রার্থীর হাজার হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই সমর্থকদের মধ্যে জয়লাভের উত্তেজনা বাড়ছে। নির্বাচনী ঝড়ো হাওয়ায় এখন দুলছে বাকেরগঞ্জ। সবার মনে একটাই প্রশ্ন—
কে হচ্ছেন বাকেরগঞ্জের আগামী দিনের এমপি?