মোঃ সাইফুর রহমান সাইফুল:
সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ডা. লুসি খান। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিগত স্বৈরশাসনামলে।
সেই সময়ে তিনি একাধিক হামলা-মামলার শিকার হন এবং রাজপথে থেকে জীবন বাজি রেখে দলীয় বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব প্রদান করেন। তৎকালীন সময়ে তিনি একাধিক মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে বিএনপির কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করেন।
দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তার বাসায় তৎকালীন সময়ে একাধিক গোপন অভিযান পরিচালনা করা হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে। বিষয়গুলো দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মী এবং চট্টগ্রামের জনগণের কাছে পরিচিত বলে জানা যায়।
রাজপথের লড়াকু ও আপসহীন এই নেত্রী এবার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এ সংবাদ চট্টগ্রাম এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী শিক্ষিকা বলেন, যোগ্যতা ও শিক্ষার মানদণ্ডে ডা. লুসি খানের বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে বিবেচনায় রাখা উচিত। তার মতে, সংসদে উচ্চশিক্ষিত প্রতিনিধির সংখ্যা বাড়লে দেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে।
জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম বলেন, “আমার চোখের সামনে বিএনপির একটি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার সময় তৎকালীন সরকারের পুলিশ ফিরিঙ্গীবাজার এলাকায় ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। পরে লুসি খানের ওপরও আক্রমণের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে তাকে রক্ষা করা হয়। তিনি একজন সাহসী ও সংগ্রামী নেত্রী।”
এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ড ও অবদানের কথা তুলে ধরে ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাকে যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানান।
ডা. লুসি খানের কাছে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে জানান, দল মনোনয়ন দিলে তিনি নারী শিক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সামাজিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাসসহ একটি উন্নত বাংলাদেশ গঠনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান।