কামরুল ইসলাম:
পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি অসাধু সিন্ডিকেট কিছুদিন যাবৎ লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবালের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি সেই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই সিন্ডিকেট কিছু অসাধু গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ফেসবুকে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করে উল্লেখ করেছে যে, লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় পুটিবিলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবাল বালু উত্তোলন করছেন। অথচ এই সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আসলে প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবাল কোনো প্রকার মাটি বা বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবাল কোনো প্রকার মাটি বা বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন। মূলত বদিউল আলম মাস্টার বৈধ পন্থায় তার খতিয়ানভুক্ত জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করছেন। তিনি লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসকের কাছে একটি প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। উক্ত আবেদনে বদিউল আলম মাস্টার উল্লেখ করেছেন, সরাই মৌজার নিম্ন তফসিল অনুযায়ী তার মালিকানাধীন পরিত্যক্ত জায়গায় বর্ষা মৌসুমে প্রতি বছর পাহাড়ি বালু জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। তাই ওই জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করে স্থানটি পরিষ্কার করে একটি মাছের প্রকল্প করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, এই বিষয়টির সঙ্গে পুটিবিলা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবালের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা এই মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসী আরও বলেন, লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবালের নেতৃত্বে কোনো ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে না।