চাপের পরিস্থিতিতে লিটনের অনবদ্য ফিফটি

অনলাইন ডেস্ক :

লিটন দাস ও তাইজুল ইসলামের জুটিটি বাংলাদেশের ইনিংসে কিছুটা আশা জাগিয়েছিল। তবে ৬০ রানের এই জুটি শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায় তাইজুল ইসলাম আউট হওয়ার মাধ্যমে। এরপর লিটন দাস ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি পূর্ণ করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৭ উইকেটে ২১৪ রান। লিটন ৭৫ রানে এবং তাসকিন আহমেদ ৭ রানে অপরাজিত আছেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শনিবার টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ।

ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে শূন্য রানে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। ডিফেন্স করতে গিয়ে তিনি দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন।

অভিষেক টেস্টে তানজিদ হাসান তামিম শুরুটা ভালোই করেছিলেন। আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলছিলেন তিনি, কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে টপ এজ হয়ে ক্যাচ দেন আব্বাসের হাতেই। ৩৪ বলে ৩ চারসহ ২৬ রান করেন তানজিদ। ৪৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

মুমিনুল হক, যিনি আগের টেস্টে জোড়া হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন, তিনিও সেট হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু খুররম শেহজাদের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে লাইন মিস করে স্টাম্প হারান তিনি। ৪১ বলে ৩ চারে ২২ রান করে ফেরেন মুমিনুল। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

লাঞ্চে বাংলাদেশ ছিল ৩ উইকেটে ১০১ রানে। তবে বিরতির পর দ্রুতই আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম এবং মেহেদী হাসান মিরাজ।

মোহাম্মদ আব্বাসের সুইংয়ে ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন শান্ত (২৯)। মুশফিককে (২৩) এলবিডব্লিউ করেন খুররম শেহজাদ। একই বোলারের শিকার হন মিরাজ, মাত্র ৪ রানে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

১১৬ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। সেখান থেকে ইনিংসের হাল ধরেন লিটন দাস। নিচের দিকের ব্যাটার তাইজুল ইসলামের সঙ্গে তিনি ১১৪ বলে গড়ে তোলেন ৬০ রানের জুটি। তবে ১৬ রানে থাকা তাইজুলকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন পাকিস্তানের অফস্পিনার সাজিদ খান। ফলে ১৭৬ রানে বাংলাদেশের সপ্তম উইকেটের পতন ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *