চট্টগ্রাম ব্যুরো।
- গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের পর
খুলশী থানা এলাকা পশ্চিম খুলশী জালালাবাদ, কৃষ্ণচূড়া ,লোহাগাড়া, কাঁঠালবাগান ,বড়ই বাগান ,এলাকার আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছেন নাসির ,জায়গা, দখল পাহাড় কাটা, চাঁদাবাজি, সবকিছুতেই যেন দেখা মিলে নাসিরের নেতৃত্বে ওই এলাকার খবর নিয়ে জানা যায় নাসির ছিলেন রাজমিস্ত্রি র হেলপার , করতেন ডেইলি মজুরির কাজ অভাব অনটনেই জীবন কাটাতেন তিনি এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর নিয়ে জানা যায় তার বৌ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে, কাজ করে সংসার চালাতেন , হঠাৎ যেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ, তিনি যেন অঘোষিত রাজ্যের রাজা হয়ে গেছেন , শুরু হয়ে গেল তার নেতৃত্বে রূপসী হাউজিং এ পাহাড় কেটে প্লট বাণিজ্য যা বিগত সরকারের আমলে অনেকগুলো মামলা ছিল অনেক পত্র পত্রিকা নিউজ হয়েছিল সবকিছুকে ছাপিয়ে নাসির তার ক্ষমতা খাটিয়ে প্লট বাণিজ্যের কাজ সম্পন্ন করেন, এরপর লোহাগাড়া হাউজিং পানি নিষ্কাশন ড্রেনে ভূমিদস্যু মান্নানকে বাড়ি নির্মাণের সহযোগিতা করেন, এলাকাবাসী থানায় অভিযোগ করলেও অভিযোগের বাহিরে ছিলেন নাসির তার নেতৃত্বে সরকারি জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ সরকারি জায়গা বিক্রি এবং জায়গা দখল করে দেওয়ার অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে, গত কিছুদিন আগে আমাদের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা গেল একটি প্লটে ঘর নির্মাণের কাজ চলছে সেখানে তার লোকজন নিয়ে গিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন , রাশেদ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে,তিনি এখন নিজেকে পরিচয় দেন ব্যবসায়ী , ইট বালি বিক্রি করেন ,নাম না বলা শর্তে এলাকার কিছু লোক বলেন নাসিরের নেতৃত্বে এ পর্যন্ত অন্তত দশটি প্লট দখল করেছেন এবং এলাকায় কোন নতুন বিল্ডিং হলে নতুন ঘরের কাজ ধরলে তাকে চাঁদা না দিলে তিনি হুমকি- ধমকি দিয়ে থাকেন মাইর ধর করে থাকেন বলে ও অভিযোগ আছে, আরিফ নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের কে বলেন নাসির ও তার বাহিনীর নির্যাতনের ঘটনা , গত কয়েকদিন ধরে জালালাবাদে অশান্তি বিরাজমান এরমধ্যে প্রথম যে নামটি আসে নাসির তার বাহিনী নাম ,তার ও তার নেতা কর্মীদের ভয়ে এলাকার কেউ থানায় যাওয়ার সাহস পাইনি, খবর নিয়ে জানা যায় নাসির, কাশেম, রবিন তারা ওয়াকিল হোসেন বগা গ্রুপ করেন তাই কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না,