পরিবার পরিকল্পনা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে সম্মাননা পেল নারায়ণগঞ্জ সদর

মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী:

তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলাকে জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের স্বীকৃতিস্বরূপ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. ফয়েজ উদ্দিনের হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদ ও প্রশংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননা প্রদান করেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিফাত উদ্দিন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ. এফ. এম. মশিউর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহিম। এ সময় জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রশংসাপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে প্রশংসনীয় অবদান রাখায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলার অর্জন বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।

প্রশংসাপত্রে আরও বলা হয়, সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, কর্মোদ্যম ও সাফল্য জেলার অন্যান্য উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রশংসাপত্রে স্বাক্ষর করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক, নারায়ণগঞ্জ এবং জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও পরিকল্পিত জাতি গঠনে পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব অপরিসীম। তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বক্তারা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এ অর্জনকে জেলার অন্যান্য উপজেলার জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *