কামরুল ইসলাম:
খুব শিগগিরই ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে—সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণার পর চট্টগ্রামের দক্ষিণ জেলার লোহাগাড়া উপজেলার ২ নম্বর আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে অবহেলিত স্কুল সড়ক সংস্কার, বিভিন্ন সড়ক নির্মাণ এবং নানা মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর এসব উদ্যোগকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনের আগে অন্য কোনো সম্ভাব্য প্রার্থীকে জাহাঙ্গীর আলমের মতো জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। শিক্ষানুরাগী, তরুণ সমাজসেবক এবং এলাকার উন্নয়নে নিবেদিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন বলেও স্থানীয়রা জানান।
জাহাঙ্গীর আলম একটি জনসেবামূলক, আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর নির্বাচনী ভিশন ও অঙ্গীকারে এলাকার মুরব্বিদের পরামর্শ, তরুণ প্রজন্মের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি এবং যুবসমাজের কর্মস্পৃহাকে কাজে লাগিয়ে ২ নম্বর আমিরাবাদ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্মার্ট, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক ইউনিয়নে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা বৈষম্য ছাড়াই প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়া তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করতে চান তিনি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি আমার ইউনিয়নের মানুষের সেবক হতে চাই। আমি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়, বরং ২ নম্বর আমিরাবাদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার প্রিয় আমিরাবাদ ইউনিয়নকে একটি মডেল ও আলোকিত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছি। যেখানে থাকবে সব জনসাধারণের সম্মানজনক অধিকার। এই পথচলায় আমি আমার সম্মানিত ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা, পরামর্শ, সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।’
এদিকে জাহাঙ্গীর আলমের প্রার্থিতা ঘোষণাকে ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁর সমর্থকরা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।