নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভূমি ব্যবস্থাপনাকে শতভাগ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। এ লক্ষ্যে সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় সেবা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সচিব বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রেখে তরুণ মেধাবীরা যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশসেবার সুযোগ পাচ্ছেন। এই স্বচ্ছতার মর্যাদা ধরে রাখতে কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
ভূমি সেবার জটিলতা ও সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। সময়ের সঙ্গে ভূমি-সংক্রান্ত আইন ও মালিকানায় নানা পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে ভূমি সেবাকে ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে, যাতে মানুষ ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারেন।
তিনি বলেন, ভূমি সেবা সম্পর্কে নাগরিকদের সহযোগিতা দিতে ২৪ ঘণ্টার কলসেন্টার চালু রয়েছে। দেশের অভ্যন্তর থেকে ১৬১২২ এবং প্রবাসীদের জন্য +৮৮০৯৬১২৩১৬১২২ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
এ ছাড়া জেলা পর্যায়ে ‘ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র’ (এলএসএফসি) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের সব জেলা কার্যালয়ে ভূমি সেবা কেন্দ্র স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান সিনিয়র সচিব।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় সেবা ব্যবস্থা চালু হলে ভূমি সংক্রান্ত কাজে মানুষের সরাসরি নির্ভরতা কমবে। এর ফলে সেবার মান বাড়ার পাশাপাশি দুর্নীতি ও হয়রানি কমিয়ে একটি স্বচ্ছ ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।