আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আফ্রিকার দেশ সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সোনার খনি ধসে ৮২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, খনির ভেতর আরও অনেকে আটকা পড়ে আছেন।যেখানে সোনার খনি ধসের ঘটনা ঘটেছে, ওই স্থানটি নিয়ন্ত্রণ করছে দেশটির প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ)। বাহিনীটির একটি সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, এখনো অজ্ঞাতসংখ্যক মানুষ খনির ভেতর আটকা পড়ে আছেন। সেখানে অত্যন্ত ধীরগতিতে উদ্ধার অভিযান চলছে।২০২৩ সালে সুদানের সেনাবাহিনী ও প্যারামিলিটারি আরএসএফের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। এর ফলে দেশটি গৃহযুদ্ধের কবলে পড়ে। আর এই যুদ্ধের অর্থের বড় একটি অংশ আসছে সোনার খনি থেকে।যুদ্ধের কারণে বেকারত্ব অনেক বেড়ে যাওয়ায় সুদানের যুবকেরা অনুমোদনবিহীন সোনার খনিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হচ্ছেন।গতকাল মঙ্গলবার খনিটি ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে কয়েক ডজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এরপর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।খনি থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিক খায়ের আল সায়েদ জাবারা এএফপিকে বলেন, খনির ভেতর এখনো কতজন রয়েছেন, তা তারা জানেন না। সারারাত অন্যান্য শ্রমিকের সঙ্গে সেখানে উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন তারা। খনি থেকে সোনা আহরণে যেসব সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, উদ্ধার অভিযানেও সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, জীবিত ও মৃত সবাইকে উদ্ধারে সবাই কঠোর পরিশ্রম করছেন। তবে কাজটি কঠিন। পাথর ও মাটি সরানোর জন্য ভারী সরঞ্জাম প্রয়োজন।সুদানের বেশিরভাগ স্বর্ণ আহরণ করা হয় হাতে। এসব খনির আকারও তুলনামূলক ছোট হয়ে থাকে, যেখানে কয়েক ডজন মানুষ কাজ করেন।