অষ্টগ্রামে কৃষক কার্ডের তালিকায় ২,৯৩৯ কৃষক, নতুনদের অন্তর্ভুক্তির কার্যক্রম চলমান

এ আর সুমন:

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় সরকারের কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা প্রণয়নের কার্যক্রম জোরেশোরে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ২ হাজার ৯৩৯ জন কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তালিকা থেকে বাদ পড়া এবং নতুন কৃষকদের অন্তর্ভুক্তির কাজও অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রকৃত কৃষকদের তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উপজেলার প্রকৃত ও যোগ্য কৃষকদের একটি নির্ভুল, স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা ইউনিয়ন পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি তালিকা থেকে বাদ পড়া কৃষকদের চিহ্নিত করে যাচাই-বাছাই শেষে পর্যায়ক্রমে তাদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার বলেন, সরকারের কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন ও তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ২ হাজার ৯৩৯ জন কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাদ পড়া ও নতুন কৃষকদের তথ্য যাচাই করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, কৃষক কার্ডের তালিকায় প্রকৃত কৃষকদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এতে কৃষকদের পরিচয় ও কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে কৃষক কার্ডের তালিকা প্রণয়ন ও তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অষ্টগ্রামের সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, সঠিকভাবে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকাভুক্ত করা হলে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা উপযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষ বলেন, “সরকারের এ উদ্যোগ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত কৃষকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তারা ভবিষ্যতে সরকারি বিভিন্ন সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সহজ সুযোগ পাবেন।”

কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার আরও বলেন, কৃষকদের তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বাদ পড়া ও যোগ্য নতুন কৃষকদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর ফলে কৃষক কার্ডের সুবিধা প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পথ আরও সুগম হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *