আর্থিক স্বচ্ছতা ও দক্ষতায় এগিয়ে বিএনএফের সহযোগী সংস্থাগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) সহযোগী সংস্থাগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে আয়োজিত সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোন্দকার মো. মোরতাজুল করিম বাদরুর।
২০২৬ সালের ১৯ অক্টোবর বরিশালে সেইন্ট-বাংলাদেশের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সহযোগী সংস্থাগুলোর নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেইন্ট-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক কাজী জাহাঙ্গীর কবির। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের হিসাব সংরক্ষণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির গুরুত্ব
উন্নয়ন কার্যক্রমের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রে অনুদানের যথাযথ ব্যবহার, নির্ভুল হিসাব সংরক্ষণ এবং আর্থিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
এ ধরনের প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনায় সহায়ক হতে পারে। দক্ষ আর্থিক ব্যবস্থাপনা শুধু হিসাবের নির্ভুলতা নয়, একই সঙ্গে দাতা সংস্থা ও জনগণের আস্থাও বাড়াতে সহায়তা করে।
সনদপত্র বিতরণ
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। সনদপত্রপ্রাপ্তরা বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁরা হিসাবরক্ষণ, বাজেট প্রণয়ন, আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে কার্যকর জ্ঞান অর্জন করেছেন।
উন্নয়নে বিএনএফের ভূমিকা
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এসব কার্যক্রমের কার্যকারিতা বাড়াতে দক্ষ জনবল, সঠিক হিসাবরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম।
সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা করছেন, এই ধরনের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করা হলে সহযোগী সংস্থাগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের গতি বাড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *