নিজস্ব প্রতিবেদক |
কুমিল্লার ওয়ালিয়া এয়ার ইন্টারন্যাশনালের কাজী অলিউল্লাহর বিরুদ্ধে ওমরাহযাত্রীদের ভুয়া বিমান টিকিট দিয়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগসংবলিত একটি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। তিনি সংবাদের অসত্য অংশ প্রত্যাহার করে সংশোধিত সংবাদ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
কাজী অলিউল্লাহ জানান, যথাযথ তথ্য-প্রমাণ যাচাই না করেই সংবাদটি প্রকাশ করায় তাঁর ব্যক্তিগত সম্মান এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে তিনি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে দ্রুত সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ করেছেন।
প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ১২ জন ওমরাহযাত্রীকে সৌদি আরবে পাঠানোর কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয় এবং তাঁদের ভুয়া বিমান টিকিট দেওয়া হয়।
সংবাদে আরও বলা হয়, যাত্রীদের বাংলাদেশ বিমানে পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে ইন্ডিগো এয়ারের যাত্রা টিকিট এবং কাতার এয়ারের ফিরতি টিকিট দেওয়া হয়েছিল।
কাজী অলিউল্লাহর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা যথাযথ হয়নি। গ্রহণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের নথি কিংবা নির্ভরযোগ্য যাচাই ছাড়া কাউকে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিত্রিত করা অনভিপ্রেত।
প্রতিবাদে বলা হয়, কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলেই তা প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
প্রতিবাদে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অপরিহার্য অংশ।
সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যের যথাযথ প্রতিফলনই এ ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কাজী অলিউল্লাহ সংশ্লিষ্ট সংবাদে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর যথার্থতা পুনরায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
তাঁর পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে:
সংবাদের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর অংশ প্রত্যাহার করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সংশোধিত সংবাদ প্রকাশ করা হোক।
ভবিষ্যতে তাঁর বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা এবং তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করা হোক।
সংবাদের যেসব অংশকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলা হচ্ছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হোক।