কক্সবাজারে প্রকাশ্য ডাকাত চান্দের গাড়ি

নাঈম উদ্দিন সানি:

 

কক্সবাজারে প্রতিনিয়ত প্রতারনার শিকার হচ্ছে পর্যটকরা। হোটেল —রেস্তোরাঁ হতে শুরু করে স্হানীয় পরিবহন সেক্টরেও চলছে সীমাহীন দূর্নীতি। অনেকটা যেন বাধ্য হয়েই ফাদে পা দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। যেমন রিকশা ভাড়া লাইট হাইজ হতে সুগন্ধা বিচে যেতে গুনতে হয় ৪০—৫০ টাকা। কফি ১০ টাকার টা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

সমুদ্র পাড়ে ছবি তুলাতে চলছে আধিপত্য অনেকটা বাধ্য হয়েই চাপিয়ে দেয়া বিল পরিশোধ করতে হয় পর্যটকদের। এতে ঘটে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের মত ঘটনা।

মেরিনড্রাইবে চলাচলকারী পরিবহনের মধ্যে পর্যটকদের প্রথম পছন্দ চান্দের গাড়ি। এখাতেও চলছে অনিয়ম নেই কোন নির্দিষ্ট ভাড়ার তালিকা। ইচ্ছে মত ভাড়া চেয়ে নেন তারা। ভাড়া নির্ধারন করার পরও স্পট ভাড়া সহ নানা নামে আরও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগও রেয়েছে।

সুগন্ধা/ কলাতলি পয়েন্ট হতে পাটুয়ারটেক যেতে চান্দের গাড়ির ভাড়া চাওয়া হয় ৫ হাজার টাকার মত। অথচ দুরত্ব ২৫ কিলোমিটার।

সাথে আছে নারীদের প্রতি ইভটিজিং। সমুদ্র এড়িয়াতে প্রতিনিয়ত নানান ভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বেড়াতে আসা নারী পর্যটকরা। ক্যামেরাম্যানরা ইভটিজিং এ সবচেয়ে এগিয়ে। ছবি নিয়েও করে অনেক ধরনের ক্রাইম। তাই সচেতন সমাজের অনেকেই ছবি তুলতে নিষেধ করেন।

এসব অনিয়ম নিয়ে কথা বলি এক চান্দের গাড়ির চালকের সাথে , উনি বলেন উপার্জিত টাকার বড় একটা অংশ নেন স্হানীয় রাজনৈতিক নেতারা এবং প্রশাসন

তবে পর্যটকদের দাবি ট্যুরিস্ট পুলিশ আগের চেয়ে অনেকটাই তৎপর। আরও দায়িত্বশীল হবার প্রতাশ্যা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *