কেইনের দ্রুততম সেঞ্চুরি, ওলিসের হ্যাটট্রিকে ৭ গোলে জিতল বায়ার্ন

স্পোর্টস ডেস্ক:

বুন্দেসলিগায় দ্রুততম সময়ে ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বায়ার্ন মিউনিখের ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন। মাত্র ৯৮ ম্যাচে জার্মানির শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতায় গোলের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। একই ম্যাচে ফরাসি তারকা মাইকেল ওলিসের হ্যাটট্রিকে ইউনিয়ন বার্লিনকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে বুন্দেসলিগায় নিজের শততম গোল করেন কেইন। এর আগে জার্মানির শীর্ষ লিগে ১২৯ ম্যাচে ১০০ গোল করার রেকর্ড ছিল ডিয়েটার মুলারের। ১৯৭০ সালে এফসি কোলনের হয়ে তিনি এই কীর্তি গড়েছিলেন। তার চেয়ে ৩১ ম্যাচ কম খেলেই সেই রেকর্ড ভেঙেছেন কেইন।

এরপর ৫৪তম মিনিটে আরও একটি গোল করে বুন্দেসলিগায় নিজের গোলসংখ্যা ১০১-এ নিয়ে যান ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। বায়ার্নে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিন মৌসুমেই ক্লাবটির সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন কেইন। ২০২৩ সালে টটেনহ্যাম ছেড়ে বায়ার্নে যোগ দেওয়ার পর প্রথম বুন্দেসলিগা মৌসুমে ৩৬টি এবং পরের মৌসুমে ২৬টি গোল করেন তিনি।

এর আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বায়ার্নের হয়ে ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ১০৪ ম্যাচে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচেও বাভারিয়ানরা ৪-০ গোলে জয় পেয়েছিল। এর মাধ্যমে একুশ শতকে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে দ্রুততম ১০০ গোল করা ফুটবলারদের তালিকায় রেকর্ড গড়েন কেইন। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে আর্লিং হালান্ড ১০৫ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছিলেন।

এখন পর্যন্ত বায়ার্নের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৫৪ ম্যাচে ১৫১ গোল করেছেন কেইন।

ইউনিয়ন বার্লিনের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। ১৮ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার গোলে শুরু হয় গোল উৎসব। এরপর ৩৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে কেইন এবং ৪৩ মিনিটে বায়ার্নের হয়ে নিজের প্রথম গোল করেন মাইকেল ওলিসে।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও চার গোল করে বায়ার্ন। ৫৪ মিনিটে কেইনের দ্বিতীয় গোলের পর ৭০ মিনিটে স্কোরশিটে নাম লেখান ইসমায়েল সাইবারিও। এরপর ৭৩ ও ৭৬ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ওলিসে।

৭-০ গোলের এই জয়ে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বুন্দেসলিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির বায়ার্ন মিউনিখ। এক ম্যাচ কম খেলে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পরের দুই অবস্থানে রয়েছে ফ্রেইবুর্গ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *