মোঃ হাসান আলী:
ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের গারোবাজারে রাস্তার ওপর জমে উঠেছে রমরমা ব্যবসা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। রাস্তার দুই ধারে যারা লক্ষ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি দিয়ে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছেন, তাদের এই অত্যাচারে এখন প্রতিটি দোকানদার অতিষ্ঠ। সব সময় যানজট লেগে থাকার কারণে দোকানে কোনো কাস্টমার আসতে পারেন না। কারণ, দোকানের সামনে যে জায়গায় কাস্টমার দাঁড়িয়ে জিনিসপত্র ক্রয় করবেন, সেখানে তারা বিভিন্ন কাঁচামাল রেখে জায়গা দখল করে রেখেছেন। ঘরে ঢোকার জন্য সামান্য একটু রাস্তাও তারা রাখেন না। তাহলে কাস্টমার কীভাবে ঢুকবেন?
বাজার পরিচালনা কমিটির প্রতি প্রতিটি দোকানদারই খুবই ক্ষুব্ধ। রাস্তার ওপর এ রকম অত্যাচার থাকায় অনেকের ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলে উঠেছে। রাস্তার দুই পাশের দোকানদাররা বাজার পরিচালনা কমিটিতে যারা আছেন, তাদের কাছে গেলে শুধু মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে থাকেন—অমুক দিন বসব, তমুক দিন বসব, এটার একটা সুরাহা করছি। আসলে কিছুই তারা করেন না। কারণ, বাজার পরিচালনা কমিটি কাঁচামাল পরিচালনা কমিটির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করেছে। এ বিষয়ে বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল হোসেন তালুকদারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আপনাকে আমরা ভোট দিয়ে সভাপতি বানিয়েছি। আপনি বলেছিলেন, দোকানদারদের সুযোগ-সুবিধা দেখবেন। এখন আপনি উল্টো পথে হাঁটছেন। তাহলে দোকানদারদের জন্য কী করলেন?’
তিনি এ প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বলেন, ‘সবার সঙ্গে বসে দেখতেছি।’ কাঁচামাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ সাইদুর ভাইকে একই প্রশ্ন করা হলে তিনিও কোনো জবাব দেননি, বরং ফোন রেখে দেন। বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তরফদারও কোনো সঠিক জবাব দেননি। এখন জনমনে প্রশ্ন—কে বা কারা টাকার লেনদেন করে রাস্তার ওপর এভাবে অবৈধ বাজারের অনুমতি দিয়েছে? জনগণ সেটাই জানতে চায়।