ভোটাররা এবার তাদের কণ্ঠস্বর ফেরাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: তানভীর আহমেদ রবিন

ঢাকা:

ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব ও ঢাকা-৪ আসনের মনোনয়নপ্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন “গত ১৭ বছরের যে কোনও নির্বাচনের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন” হবে। দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ভোটাররা এবার তাদের কণ্ঠস্বর ফেরাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

রবিন বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটির আটটি আসনে বিএনপির মধ্যে কোনো অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব হবে না। “আমরা সবাই কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারিক রহমানের নির্দেশ অনুসরণ করব। দেশের স্বার্থ ও দলের স্বার্থ ব্যক্তিগত স্বার্থের ওপর আগে আসে,” তিনি জানান।

রবিন আরও বলেন, বিএনপির ৩১-পদ জাতীয় সংস্কার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই সমাজের নানা স্তরে—যুব, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও গৃহিণীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “গত ১৭ বছর ধরে নীরব থাকা যুবসমাজ এই নির্বাচনে নির্ধারক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে।”

ঢাকা-৪ এর মানুষের দৃষ্টিকোণ:
ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, যেমন রায়েরবাজার, হাতিরপুল ও কলাবাগান, থেকে স্থানীয়রা রবিনের ৩১-পদ পরিকল্পনার প্রশংসা করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম আহমেদ বলেন, “রবিনের পরিকল্পনা আমাদের দৈনন্দিন সমস্যার কথা মনে রেখেছে—চাকরি, ব্যবসা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা চাই একজন প্রতিনিধি যিনি আমাদের কণ্ঠস্বর শুনবেন।”
নিখিলা খাতুন নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যুবসমাজ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং গ্রামের ছেলে-মেয়েরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।”

রবিন বলেন, পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে যুবসমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি আশ্বাস দেন, “শিক্ষিত যুবসমাজ উদ্যোক্তা হলে দেশের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হবে।”

তিনি আরও বলেন, বিএনপি এক কোটি নতুন সদস্য সংগ্রহ করছে এবং যুবসমাজকে পুরো কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তবে যারা গত ১৭ বছরে ক্ষমতাসীন দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করেছে, তাদের সদস্যপদ বাতিল করা হবে।

রবিন আশাবাদী, এই নির্বাচন দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে। “৩১-পদ পরিকল্পনা বাস্তবায়নই আমাদের মূল লক্ষ্য। যারা এই লক্ষ্য মেনে চলতে পারবে না, তাদের দলেই জায়গা থাকবে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *