নিজস্ব প্রতিবেদক,
পার্বত্য চট্টগ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোন্দকার মো. মোরতাজুল করিম বাদরু।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) বান্দরবান সার্কিট হাউসে এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ফাউন্ডেশনের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান বদলে দিতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনায় দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য বিমোচন, মানবকল্যাণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে। প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং স্বাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম করাই সংস্থাটির অন্যতম লক্ষ্য।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশগ্রহণ দারিদ্র্য হ্রাস এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
মতবিনিময়ে দারিদ্র্যমুক্ত, স্বাবলম্বী ও মানবিক সমাজ গড়তে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্বও প্রতিফলিত হয়। বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দারিদ্র্য বিমোচন, মানবকল্যাণ ও টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।