প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

স্টাফ রিপোর্টার:

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার এবং এ অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামীকাল (৭ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে আজ (৬ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির আলোকে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রোগীর মৌলিক পরিচয়ভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে সব নাগরিককে ইলেক্ট্রনিক হেলথ (ই-হেলথ) কার্ড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হচ্ছে, যা অত্যন্ত আনন্দের। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সব প্রাণ’ সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, বিনামূল্যে মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ, রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্য খাত গড়ে তুলতেও বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্য একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। আধুনিক সভ্যতার নানা নেতিবাচক প্রভাবের কারণে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে। তাই বিজ্ঞানের উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

রাষ্ট্রপতি সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসক, গবেষক, পরিবেশবিদ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’-এর সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *