স্পোর্টস ডেস্ক ::
বিশ্বকাপ জয়ের এক মাস পেরিয়ে গেলেও সেই আনন্দ এখনো টাটকা স্পেনের খেলোয়াড়দের মনে। ক্লাবের সমর্থকদের সঙ্গে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়েই এবার বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের তিন সদস্য। ঘরের মাঠে তাদের দুয়ো শুনতে হয়েছে। ঘটনাটিতে গভীরভাবে ব্যথিত স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
নিউইয়র্কের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সেই মুহূর্ত এখনো স্পেনের খেলোয়াড়দের স্মৃতিতে সতেজ। বিশ্বজয়ের আনন্দ ক্লাবের সমর্থকদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছিলেন অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের তিন খেলোয়াড়—আয়মেরিক লাপোর্তে, নিকো উইলিয়ামস ও উনাই সিমন। তবে সান মেমেসে গিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
স্প্যানিশ জাতীয় রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তেকে বিলবাওয়ের ওই ঘটনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। লা লিগায় সেভিয়ার বিপক্ষে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপজয়ী তিন খেলোয়াড়ই মাঠে ছিলেন। ম্যাচের আগে ঘরের দর্শকদের সামনে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে চেয়েছিলেন তারা। কিন্তু গ্যালারি থেকে তাদের উদ্দেশে দুয়োধ্বনি ওঠে।
ঘটনাটিতে নিজের কষ্টের কথা জানিয়ে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘সান মেমেসে দুয়োধ্বনি দেওয়ার ঘটনায় আমার খুব খারাপ লেগেছে।’
স্পেন কোচের মতে, বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়দের এমনভাবে অভ্যর্থনা জানানো কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না। তিনি মনে করিয়ে দেন, লাপোর্তে, নিকো উইলিয়ামস ও উনাই সিমন—তিনজনই বিলবাওয়ের ঘরের ছেলে এবং ক্লাবটির লেজামা অ্যাকাডেমিতে বেড়ে উঠেছেন।
দে লা ফুয়েন্তে মনে করেন, স্পেনের বিশ্বকাপ জয় এবং সেই সাফল্যের পেছনে অবদান রাখা খেলোয়াড়দের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো উচিত ছিল। ঘরের মাঠে তাদের দুয়ো দেওয়ার বিষয়টি তাই তাকে বিশেষভাবে কষ্ট দিয়েছে।
এদিকে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে স্পেনে। স্বাগতিক হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ থাকবে স্পেনের সামনে। এর আগে ব্রাজিল ও ইতালি টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েছে।
নিজেদের মাটিতে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন নিয়ে আশাবাদী দে লা ফুয়েন্তে। তিনি বলেন, ‘স্বাগতিক দেশ হিসেবে অনেক সম্ভাবনা আছে। আমিও চাই ফাইনাল আমাদের দেশেই অনুষ্ঠিত হোক।’