মোঃ আনজার শাহ:
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খোন্দকার মোরতাজুল করিম বাদরু বলেছেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগই তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হওয়ার আকাঙ্ক্ষার চেয়েও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সরাসরি সেবা করার সুযোগকে তিনি অধিক মূল্যবান বলে মনে করেন।
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক পরিচিতি সভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বিএনএফকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।
৪৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনের নতুন অধ্যায়
নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে খোন্দকার মোরতাজুল করিম বাদরু বলেন, দীর্ঘ ৪৭ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমানে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের দায়িত্বকে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ যেখানে সরাসরি পাওয়া যায়, সেই দায়িত্বের গুরুত্ব আলাদা। বিএনএফের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র, হতদরিদ্র, পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার সুযোগকে তিনি অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা
বিএনএফের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে বাদরু সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, চিন্তক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, আইনজীবী ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তাঁর জন্য গৌরবের বিষয়।
তিনি বলেন, এ দায়িত্ব তাঁর কাছে শুধু একটি প্রশাসনিক পদ নয়; বরং দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার একটি বড় সুযোগ। তাই দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চান তিনি।
মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত বিএনএফ
বক্তব্যে বিএনএফের প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রমের ইতিহাস তুলে ধরে চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি রেজুলেশন অনুযায়ী বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ২০০৫ সালের আগস্টে ফাউন্ডেশনটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের আওতায় রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সরকারি বিভিন্ন সময়ে প্রাপ্ত তহবিলের মাধ্যমে দেশের ছোট ও মাঝারি আকারের এনজিও তথা সহযোগী সংস্থাগুলোকে অর্থায়ন করে আসছে বিএনএফ। এর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
১ হাজার ১২০ সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে তৃণমূলে বিএনএফ
খোন্দকার মোরতাজুল করিম বাদরু বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার ও এনজিওগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১ হাজার ১২০টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
বিএনএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে দরিদ্র ও অতি দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ের সমস্যা চিহ্নিত করে কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে দরিদ্র ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা ও আত্মনির্ভরতার প্রবণতা বাড়ছে। পাশাপাশি তাদের আয় ও কর্মসংস্থানের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৯৭ লাখ উপকারভোগীর কাছে বিভিন্ন কার্যক্রমের সুফল পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এসব উপকারভোগীর মধ্যে নারী ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং পুরুষ ৪২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
দারিদ্র্য বিমোচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব
বিএনএফের কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দারিদ্র্য বিমোচন উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতে নিয়ে আসাই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য দারিদ্র্য দূরীকরণের সঙ্গে বিএনএফের কার্যক্রম সরাসরি সম্পৃক্ত। দারিদ্র্য বিমোচনে সফলতা অর্জন করা গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়নসহ অন্যান্য উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি জানান, এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৯টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিএনএফের ৩০টি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে অগ্রাধিকার
বিএনএফের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, উপকূলীয় ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, ছিন্নমূল ও ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং হাওর-বাঁওড় ও চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের প্রান্তিক মানুষও পায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নকে শুধু শহরকেন্দ্রিক না রেখে প্রত্যন্ত গ্রাম, চর, হাওর-বাঁওড় ও দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
এ জন্য প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণ ও উপকারভোগীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর মতে, সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে জনগণের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গড়ার প্রত্যয়
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে খোন্দকার মোরতাজুল করিম বাদরু বলেন, একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের আস্থা। সেই আস্থা ধরে রাখতে স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহির কোনো বিকল্প নেই।
বিএনএফে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই—কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এমন প্রত্যয় শুনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। নিজের পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি একজন শিক্ষকের সন্তান এবং তাঁর পরিবারের তিন ভাই-বোন এখনো শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। শৈশব থেকেই সততা, নৈতিকতা ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের শিক্ষা পেয়েছেন তিনি।
এই মূল্যবোধকে সামনে রেখেই বিএনএফের দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চান
বিএনএফের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করে চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বিশেষ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দীর্ঘ প্রশাসনিক ও ব্যাংকিং অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত সহযোগিতা পেলে বিএনএফ আরও দক্ষতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকার অভিজ্ঞতা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করা খোন্দকার মোরতাজুল করিম বাদরু দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর কুমিল্লা যুব কল্যাণ সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানান।
বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তাঁর ভাষ্য, মানুষের দুঃখ-কষ্ট কাছ থেকে দেখার এবং দুর্যোগের সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা বর্তমান দায়িত্ব পালনে তাঁকে বাস্তবধর্মী সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।
এনজিও নিয়ে মন্তব্যে আগে যাচাই, পরে বক্তব্য
চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গণমাধ্যমের আগ্রহের বিষয়েও কথা বলেন বাদরু। তিনি জানান, সাধারণত সাক্ষাৎকার এড়িয়ে চললেও দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি টেলিভিশন ক্যামেরার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে।
এনজিও খাত নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো বিষয়ে না জেনে বা যাচাই না করে মন্তব্য করা তাঁর নীতি নয়। আগে বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করে তারপর মতামত দেওয়াকেই তিনি সঠিক মনে করেন।
মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে নজরদারি জোরদারের উদ্যোগ
বিএনএফের কার্যক্রমে পরিবীক্ষণ ও জবাবদিহির গুরুত্ব তুলে ধরে চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিষ্ঠানের একটি সুদক্ষ পরিবীক্ষণ উপদেষ্টা প্যানেল রয়েছে। নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিদর্শন, কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং কোনো ধরনের ব্যত্যয় বা বিচ্যুতি দেখা দিলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে সহযোগী সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রভাব মূল্যায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কয়েকটি গবেষণাও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।
সরকারের ৩১ দফার ছয়টি বিষয় বাস্তবায়নে বিএনএফ
বক্তব্যের শেষাংশে বিএনএফ চেয়ারম্যান জানান, সরকারের ৩১ দফা এজেন্ডার মধ্যে এনজিও ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ছয়টি বিষয় বাস্তবায়নের দায়িত্ব বিএনএফের ওপর রয়েছে।
তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহযোগী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব কর্মসূচি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়, প্রতিটি উদ্যোগের সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীর জীবনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনে, সেটিই হবে বিএনএফের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, বিএনএফকে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মানুষের জন্য কাজ করাই অঙ্গীকার
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়কে সঙ্গে নিয়ে বিএনএফের নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন খোন্দকার মোরতাজুল করিম বাদরু।
তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, নতুন দায়িত্বকে তিনি কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন না; বরং দেশের দরিদ্র, অসহায়, প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নের একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
মানুষের কল্যাণে কাজ করার এই অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ নিলে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল হবে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়ার পথ আরও সুগম হবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্টদের।