আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে শহরটির একটি তেল স্থাপনায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট হামলা চালায়। এরপর পাল্টা হামলা চালায় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নতুন করে সানায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সাংবাদিক ইউসেফ মারে সানা থেকে জানিয়েছেন, শহরটির আকাশে যুদ্ধবিমান চক্কর দিচ্ছে।
গত মঙ্গলবার সানায় যে তেল স্থাপনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলা চালায়, সেটি হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর জবাবে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, একটি তেল শোধনাগার এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে সৌদি আরামকোর সদরদপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালায় হুথিরা।
যুদ্ধের শুরু থেকেই ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতি অনুসরণ করে আসছে হুথিরা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট তাদের অবকাঠামোয় হামলা চালালে পাল্টা হিসেবে একই ধরনের অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার কৌশল নিয়েছে গোষ্ঠীটি।
হুথিরা হুমকি দিয়েছে, সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখা হবে।
এদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা তেল স্থাপনাটির ডিপো আগে থেকেই খালি ছিল বলে দাবি করেছে হুথিরা। তাদের ভাষ্য, সেখানে তেল না থাকায় হামলাটি কার্যত মূল্যহীন হয়েছে।
সৌদি আরব বুধবার সকালে হুথিদের একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার তথ্য জানায়। এর পর সানায় আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে সৌদি আরবের তুলনায় ইয়েমেনের ক্ষতি বেশি হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধের কারণে সানা বিমানবন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে।