নিজস্ব প্রতিবেদক: একই রোগীর নামে দুই ভিন্ন সময়ে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালিস্ট কনসালটেশন-এর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অর্থের বিনিময়ে ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসা নীতিমালা ও জনআস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক ডা. সানজিদা আহমেদ একই নারী রোগীকে দুই সময়ে পরস্পরবিরোধী রিপোর্ট প্রদান করেন। এতে রিপোর্টের সত্যতা ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ মে দেওয়া মেডিকেল রিপোর্টে রোগীর যোনিপথে রক্তপাত (ব্লিডিং) থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু একই রোগীর ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের আরেকটি রিপোর্টে বলা হয়, কোনো রক্তপাত নেই; রোগীর অবস্থা স্বাভাবিক এবং কেবল সামান্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ধরনের বিপরীতমুখী রিপোর্ট কীভাবে তৈরি হলো, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ঘটনার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং বিষয়টি আদালতের কার্যক্রমেও উঠে এসেছে। এরপরও এমন পরস্পরবিরোধী মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়ার পেছনে অনিয়ম বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
এ ঘটনায় ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের কাছে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করেছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে অর্থের বিনিময়ে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ আর না ওঠে।
এ ঘটনায় ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য জানা যায়নি।