মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম:
বাংলাদেশের সমাজ কাঠামো মূলত পারিবারিক ও প্রতিবেশী সম্পর্কের উপর দাঁড়িয়ে আছে, মন্তব্য করে নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি। তিনি বলেন, গ্রাম হোক বা শহর—পাশের মানুষটাই বিপদে-আপদে আগে এগিয়ে আসে। অথচ নির্বাচনের জয়-পরাজয়ের জন্য মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে প্রতিবেশীর সাথে কথা বলা বন্ধ, পারিবারিক টানাপোড়েন এমনকি মারামারিও ঘটে। একটি পাঁচ বছরের রাজনৈতিক মেয়াদের জন্য আজীবনের সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলা যুক্তিসঙ্গত নয়।
বাংলাদেশ জনতা সংস্কৃতিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি আরও বলেন, নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত হয় ব্যালটের মাধ্যমে, কোন ব্যক্তিগত তর্ক বা সামাজিক দ্বন্দ্বের মাধ্যমে নয়। আপনার ভোটের কারণে আপনার প্রতিবেশী শত্রু হয়ে যাবে—এমন কোনো বিধান সংবিধান দেয়নি। বরং গণতন্ত্র শেখায় ভিন্নমতকে সম্মান করতে। যুক্তি দিয়ে কথা বলা, সহনশীল থাকা এবং মতভেদ থাকা সত্ত্বেও সহাবস্থান করাই গনতান্ত্রিক চর্চার মূল শিক্ষা।
নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানুষ এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছে। নির্বাচন আসবে এবং যাবে। ফলাফল যা হওয়ার তা হবেই। এই বাস্তব সত্যের বাইরে গিয়ে যদি আমরা ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সামাজিক সৌহার্দ্য বা পারস্পরিক সম্মান নষ্ট করি, তাহলে সেই ক্ষতির দায়ভার আমাদেরকেই বহন করতে হবে। আপনার পাশে থাকা মানুষগুলো—প্রতিবেশী, আত্মীয়, বন্ধু—তাদের গুরুত্ব নির্বাচনের ফলাফলের চেয়েও অনেক বেশি।