মোঃআনজার শাহ
জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ। দলটি জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা, রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করে আসছে।
গণঅধিকার পরিষদের মূল অবস্থান হলো, রাষ্ট্রের সব নাগরিক সমান অধিকার পাবেন এবং রাষ্ট্রীয় সেবা, বিচার ও সুযোগে কোনো বৈষম্য থাকবে না। দলটি জনগণের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের পক্ষে সওয়াল করে।
গণঅধিকার পরিষদ বলেছে, জনগণের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলবে। দলটির নেতাকর্মীরা মনে করেন, জনগণের দুর্ভোগ, মূল্যস্ফীতি, সেবার অভাব ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার অনিয়ম মোকাবিলায় সংহত রাজনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন হাসান আল মামুন, যিনি আগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তিনি আগে দলটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
গণঅধিকার পরিষদের রাজনৈতিক বক্তব্যে বারবার উঠে আসে জনগণের দৈনন্দিন সংকট, জ্বালানি ও সেবার অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার প্রশ্ন। দলটির মতে, জনগণের অধিকার রক্ষায় শুধু সংসদ নয়, রাজপথের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
সংগঠনটি বিভিন্ন সময়ে আলোচনা সভা, মিছিল, মানববন্ধন ও তথ্যচিত্র প্রচারের মাধ্যমে জনমত গঠনের চেষ্টা করে আসছে। এসব কর্মসূচির মূল বার্তা—জনগণের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণঅধিকার পরিষদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, সুসংগঠিত কর্মসূচি এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে কার্যকর অবস্থানের ওপর।
জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে গণঅধিকার পরিষদ নিজেকে একটি সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। জনগণের স্বপ্ন, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার পথেই দলটির মূল রাজনৈতিক অঙ্গীকার।