মোঃআনজার শাহ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে আবারও কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন বরুড়া থানার ওসি কাজী নাজমুল হক। এই অর্জনের জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। কুমিল্লার পুলিশ সুপারের হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বরুড়া থানা পুলিশের কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা
জেলা পুলিশের মূল্যায়নে এই স্বীকৃতি বরুড়া থানা পুলিশের কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দায়িত্ব পালনকালে নানা উদ্যোগের মধ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে তিনি সক্রিয়তার পরিচয় দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
জননিরাপত্তায় সক্রিয় বরুড়া থানা:
বরুড়া থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা, বিভিন্ন মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন কাজী নাজমুল হক। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যায় দ্রুত সাড়া দেওয়াকেও তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
থানার নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরেও জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। এসবের ফলে তাঁর নেতৃত্বে বরুড়া থানা পুলিশের কার্যক্রম স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় উঠে এসেছে।
স্বীকৃতিতে উজ্জীবিত পুলিশ সদস্যরা:
দ্বিতীয়বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় বরুড়া থানা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যে নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সহকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি পুরো থানা ইউনিটের জন্যই অনুপ্রেরণা। মাঠপর্যায়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে এ ধরনের স্বীকৃতি ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
‘এ অর্জন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল’:
সম্মাননা পেয়ে প্রতিক্রিয়ায় কাজী নাজমুল হক বলেন, ‘এ অর্জন আমার একার নয়; বরুড়া থানা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।’ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাই পুলিশের মূল দায়িত্ব। এ কাজে জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতায় একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা:
এই স্বীকৃতিতে জননিরাপত্তা, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বরুড়া থানা পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।