মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী:
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সামনে সাধারণ মানুষের রাস্তা পারাপারের জন্য নির্মিত ফুটওভার ব্রিজটি নির্বাক দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে ব্রিজটি শুধুমাত্র রাস্তার শোভাবর্ধন ছাড়া অন্য কোনো কাজে প্রয়োজন হচ্ছেনা। তাই এর সঠিক ব্যবহারের জন্য এটিকে স্থানান্তর করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের উন্নয়ন কাজের সময় এখানে ফুটওভার ব্রিজটি তৈরি করা হয়, যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে রাস্তা পার হতে পারে। ফুটওভার ব্রিজটি তৈরি হলেও সেটি মানুষ ব্যবহার করছে না। অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্রিজটি তৈরি করা হয়েছে জেলা পরিষদের সামনের সড়কে। এই পাশ দিয়ে তেমন মানুষ যাতায়াত করে না, কিন্তু তার ঠিক বিপরীত চিত্র হচ্ছে নতুন কোর্টের সামনে। এখানে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা ও দায়রা জজ কোর্ট, সিভিল সার্জনের অফিস রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ রাস্তার উল্টোদিকে নেমে পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হয়। আর এখানে প্রায় সময় যানবাহন অবস্থান করে। তাই রাস্তা পার হতে গিয়ে অনেকে দুর্ঘটনারও শিকার হয়।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, ফুটওভার ব্রিজটি ব্যবহার না হওয়ায় অধিকাংশ সময় খালি পড়ে থাকে। আর এ সুযোগে সদ্ব্যবহার করছে মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীরা। সন্ধ্যা হলেই এখানে চলে মাদকসেবীদের আড্ডা।
এমতাবস্থায় সচেতন নাগরিকবৃন্দ মনে করেন, উক্ত ফুটওভার ব্রিজটি এ স্থান থেকে সরিয়ে জেলা প্রশাসকের সামনের সড়কে স্থাপন করা দরকার। এতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে রাস্তা পার হতে পারবে।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ফুটওভার ব্রিজের বিষয়টি রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের। যদি সাধারণ মানুষের সুবিধা হয়, তাহলে আমরা বিষয়টি আলোচনা করে দেখবো।