নেসার উদ্দিন ও তার আপন ভাই রাসেলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

নেছার উদ্দিন ও তার আপন ভাই, মিজান উদ্দিন ওরফে রাছেলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার রাঢীকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ হারুনের ছেলে নেছার উদ্দিন এবং তার ভাই মিজান উদ্দিন ওরফে রাছেলের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, ব্ল্যাকমেইল, মিথ্যা মামলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে ৫ জুন ২০২৬ তারিখে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে  মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন  একটি ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী মোঃ সাইফুল ইসলামের  অভিযোগ, নেছার উদ্দিন ও তার ভাই মিজান উদ্দিন ওরফে রাছেল দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। তারা আমার পরিবারকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে আর্থিক ক্ষতিসাধন, ব্ল্যাকমেইল এবং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করেছে। তিনি বলেন আমার ছোট বোন আখি আক্তার, নেছারের  বোন আফসানা আক্তার এর  বান্ধবী সেই সুবাদে নেছারের সাথে পরিচয়, এক পর্যায়ে মুরগির ব্যবসা করার কথা বলে, আমার বোন আখি আক্তারের  কাছ থেকে , বিভিন্ন কৌশলে স্বর্ণ অলংকার বন্ধক লাগিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন, ওদের বাড়িতে গেলে কৌশলে একটি ছবি তুলে, সেই ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করা শুরু করে, এভাবে আমার বোনের সব হাতিয়ে নিয়ে সর্বহারা করে দিয়েছে, আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে, তো আমাদের নামে মামলা দিয়েছে ওর ভাই মিজান উদ্দিনের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে,
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে,স্মারক,নম্বর:৪৪.০০.০০০০.০০০.২২৬.২৭.০০০২.২৫.৪৩৭ প্রদান করা হয়েছে।ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, সেনাবাহিনীর চাকরির প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল এবং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে তারা মানববন্ধনের আয়োজন করছেন।মানববন্ধন থেকে তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইল চক্রের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা, আত্মসাৎকৃত অর্থ ও স্বর্ণালংকার ফেরত প্রদান, ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি বন্ধ করা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *