“কর্মসূচি, সংঘাত এড়াতে কঠোর অবস্থানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন”
জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সাম্প্রতিক সংঘর্ষ এবং একই সময়ে একাধিক ছাত্রসংগঠনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৬ আগস্ট একই স্থান ও একই সময়ে তিনটি ছাত্রসংগঠন পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করায় সম্ভাব্য সংঘাত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় সব ছাত্র সংগঠনকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং ‘ঐক্যবদ্ধ জগন্নাথ’ ব্যানারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শহীদ রফিক ভবনের সামনে পৃথক কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে আহত ও অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর, সোহরাওয়ার্দী কলেজের হামলা জবি স্বাস্থ্য সম্পাদক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, এবং বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি রয়েছে।
একই স্থান ও কাছাকাছি সময়ে একাধিক পক্ষের কর্মসূচি থাকায় ক্যাম্পাসে আবারও মুখোমুখি অবস্থান ও সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সাম্প্রতিক সংঘর্ষ এবং একই সময়ে একাধিক ছাত্রসংগঠনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৬ আগস্ট একই স্থান ও একই সময়ে তিনটি ছাত্রসংগঠন পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করায় সম্ভাব্য সংঘাত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় সব ছাত্রসংগঠনকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই স্থান ও কাছাকাছি সময়ে একাধিক পক্ষের কর্মসূচি থাকায় ক্যাম্পাসে আবারও মুখোমুখি অবস্থান ও সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।