পুলিশের ঝামেলা এড়াতে নিজের মাকেই অস্বীকার করেছিলেন শিক্ষিত যুগ্ম সচিব ছেলে

পুলিশের ঝামেলা এড়াতে নিজের মাকেই অস্বীকার করেছিলেন শিক্ষিত যুগ্ম সচিব ছেলে৷

আপনারা জানেন! কয়েকদিন আগে একটি ফ্ল্যাটে মৃ%ত অবস্থায় পাওয়া যায় নূর জাহান বেগমকে। তার বাসার অবস্থা দেখে যে কেউ স্তব্ধ হয়ে যাবে। চারদিকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অযত্নের স্পষ্ট ছাপ। জীবনের শেষ সময়ে তিনি যেন একা হয়ে গিয়েছিলেন।

তার সন্তানদের কেউ সাধারণ মানুষ নন। একজন ইম্পেরিয়াল স্কুলের শিক্ষক, একজন ডাক্তার, একজন যুগ্ম সচিব, আরেকজন কানাডা প্রবাসী। সবারই বড় বড় ডিগ্রি আছে, প্রতিষ্ঠিত পরিচয় আছে। কিন্তু শেষ বয়সে মায়ের পাশে দাঁড়ানোর মতো বড় মনটা ছিল না৷

মেয়ের কাছে মায়ের কথা জানতে চাইলে তিনি না বোঝার ভান করে চলে যান। আর এক ছেলে তো প্রথমে স্বীকারই করতে চাননি যে এই নারী তার মা।

শিক্ষার প্রকৃত মূল্য শুধু সার্টিফিকেটে নয়, পদ-পদবীতেও নয়। একজন মানুষ কতটা শিক্ষিত, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো বৃদ্ধ বাবা-মায়ের প্রতি তার আচরণ।

বাহ্যিক সাফল্য, অর্থ-সম্পদের চেয়েও বড় পরীক্ষা হলো বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে পারা। কারণ শেষ বয়সে গর্ব করার মতো শিক্ষিত সন্তানের চেয়ে, হাতটা শক্ত করে ধরে রাখার মতো একজন নেককার সন্তান অনেক বেশি প্রয়োজন।

আপনার কি মনে হয়?
দোষটা আসলে কার? মা বাবা সন্তানদের মানবিক হতে শেখান নাই? নাকি সন্তানরাই বড় হয়ে এমন হয়ে যায়!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *