দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, শিল্পায়নের প্রসার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের জগতে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম বিআরবি গ্রুপ অব কোম্পানিজ। বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. মুজিবর রহমানের নেতৃত্ব ও উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে নিজস্ব একটি আসন তৈরি করেছে।
১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়ায় বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে গ্রুপটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এর অধীনে একাধিক শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ক্যাবল, বিমান সেবা, হাসপাতাল ও শিক্ষা খাতের উদ্যোগও রয়েছে।
একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কেবল জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে শিল্পের বিকাশ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি। এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিআরবি গ্রুপের মতো শিল্পগোষ্ঠীর কার্যক্রম দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সুনাম ছড়ানোর ক্ষেত্রেও এসব প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখছে।
মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেম, উদ্যোক্তার দূরদৃষ্টি
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. মুজিবর রহমানের নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশপ্রেম, উদ্যোগ ও ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পরিচয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অবদান রাখার প্রত্যয় যেকোনো উদ্যোক্তার জন্যই অনুপ্রেরণার উৎস।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিকাশের মধ্য দিয়ে দেশীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করা জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বিআরবি গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মুজিবর রহমান দেশের শিল্প উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৯-এ বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন, বেসরকারি বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের ওপর নির্ভর করে আরও গতিশীল হয়ে উঠছে। এই অগ্রযাত্রাকে টেকসই করতে প্রয়োজন মানসম্মত পণ্য উৎপাদন, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো।
শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা, শ্রমিকদের কল্যাণ, পরিবেশ সুরক্ষা ও সুশাসন নিশ্চিত করাও একটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের অপরিহার্য শর্ত। এসব ক্ষেত্রে ইতিবাচক উদ্যোগ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ায় এবং টেকসই উন্নয়নের পথকে সুগম করে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় দেশীয় উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। দেশপ্রেম, কর্মনিষ্ঠা, দায়িত্বশীল বিনিয়োগ ও মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিল্পায়নের ধারা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হলে তা জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সুদৃঢ় করবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. মুজিবর রহমানের নেতৃত্বাধীন বিআরবি গ্রুপ অব কোম্পানিজকে ঘিরে প্রত্যাশা দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারায় প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা আরও বিস্তৃত হোক। শিল্পের বিকাশের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায় দেশীয় উদ্যোক্তাদের সাফল্য হয়ে উঠুক জাতীয় অগ্রগতির শক্তি।